ajkerprithibi
, , ,
  1. অপরাধ
  2. অভিযান
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া
  7. কৃষি
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. গণমাধ্যম
  11. চাকরি
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. দেশজুড়ে
  15. ধর্ম

তেতুলিয়া নদীতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশায় বাউফলে জেলেরা

Ajker prithibi
নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

‎
‎মোঃআরিফুর রহমান
‎
‎​মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও তেতুলিয়া নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না। জেলেরা তিন দিন ধরে জাল টেনে পাচ্ছেন হাতে গোনা কয়েকটি মাছ।
‎
‎বিগত বছরগুলোতে নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ ধরা পড়লেও, এ বছর সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র দেখা গেছে। মাছ না পেয়ে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তার দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় পেশাদার জেলেরা। একদিকে মাছের আকাল, অন্যদিকে ঋণ ও দাদনের টাকা পরিশোধের চাপ; সব মিলিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁদের।
‎
‎রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে তেতুলিয়া নদীতে পাড়ে গেলে সাংবাদিকদের পেয়ে এসব অভিযোগ করেন জেলেরা। তাঁরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় তাঁরা সরকারি নির্দেশনা মেনে নৌকা ও জাল তুলে ঘরে বসে ছিলেন।
‎
‎ সংসার চালানো যায়নি। ধারদেনা করে চলতে হয়েছে তাঁদের। নিষেধাজ্ঞাকালে তাঁরা চোখে দেখেছেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা (মৌসুমি জেলে) নদীতে মাছ শিকার করেছেন। মৎস্য বিভাগের অভিযান সফল হয়নি বলেও জানান তাঁরা। নদীর এক প্রান্তে অভিযানের স্পিডবোট থাকলে, অন্য প্রান্তে জাল ফেলতেন অসাধু ব্যক্তিরা। তাঁরা প্রকৃত জেলে নন।
‎
‎জেলেদের অভিযোগ, কার্ডধারী জেলেদের সরকার ২৫ কেজি চাল দিয়ে ঘরে বসিয়ে রেখেছে। অথচ এই ২২ দিনে উপজেলা মৎস অফিসের নাকের ডগায় অসাধু জেলেরা মাছ ধরে নিয়ে গেছেন।
‎
‎জেলে মৃদুল ঘরামি আক্ষেপ করে বলেন, প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছিল, ‘২২ দিন মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে তেতুলিয়া নদী ইলিশে ভরে যাবে। সেই আশায় নৌকা ও জাল তুলে রেখেছিলাম। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শেষে সারা রাত জাল ফেলে মাত্র তিনটি ইলিশ পেয়েছি। সেগুলো বিক্রি করেছি ২৫০ টাকায়। এত কষ্ট করেও মাছ না পেয়ে খুব হতাশ লাগছে। ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ, সংসার চালানো এবং ঋণের টাকা পরিশোধ কিভাবে করব জানি না।’
‎
‎তেতুলিয়া জেলে ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সব সময় প্রতারণার শিকার হয়ে থাকি। নিষেধাজ্ঞার আগে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যারা মাছ ধরবে না, তাদের জন্য সুখবর থাকবে। অথচ অভিযান শেষে আমরা দুঃসংবাদ পাচ্ছি। নদীতে ইলিশের দেখা নেই। অভিযানের সময় শুধু চাল পেয়েছি। আমাদের সেই চাল এক সপ্তাহে শেষ হয়ে গেছে। শুধু চাল খাব! আনুষঙ্গিক অন্য পণ্য কিনতে টাকা লাগে না? এগুলো কোথা থেকে আসবে, তা কি কখনো ভেবে দেখেছে মৎস্য বিভাগ। আমরা এখন ঋণের জালে জর্জরিত।’ বলেন তেতুলিয়া জেলা এর মুখ থেকে বক্তব্য শোনা যায়
‎
‎
‎
‎

আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • Website Design & Development by BD IT HOST ↗