
আবু সুফিয়ান বাবু,
সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সব নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। নির্বাচিত হলে সরকারি অর্থের অপব্যবহার রোধ এবং বরাদ্দ বণ্টনে দলীয় বিবেচনা পরিহারের কথা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ডেবাডাঙ্গী এলাকায় নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
দেলাওয়ার হোসেন বলেন, সরকারি বরাদ্দ জনগণের কল্যাণে ব্যয় হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে এই বরাদ্দ ব্যবহার করা যাবে না। দলীয় পরিচয়, ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতিগোষ্ঠীর ভিন্নতার কারণে কেউ যেন সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন তিনি।
অতীতের জনপ্রতিনিধিত্ব ও সরকারি সুবিধা বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা জনপ্রতিনিধিদের অন্যতম দায়িত্ব। নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, বৈষম্য কমানো এবং এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এই প্রার্থী সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সৎ, যোগ্য ও মানবিক নেতৃত্ব প্রয়োজন। দুর্নীতি প্রতিরোধ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিকদের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রহিমানপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোহাম্মদ আবু হানিফ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিন আহাম্মদ। এ সময় জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শাহজালাল জুয়েলসহ স্থানীয় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশনা নোট: প্রতিবেদনটি নতুন ভাষা ও কাঠামোয় লেখা হয়েছে। প্রকাশের আগে নির্বাচনের তারিখ, প্রার্থীর পরিচয় এবং বক্তব্যের তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করে নিন।


