
দেলোয়ার হোসেন,
দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অযত্নে সৌন্দর্য হারাতে বসেছিল জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত শান্তি চত্বর। অবশেষে স্থাপনাটির হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নিয়েছেন বাগজানার কৃতী সন্তান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মোঃ মামুন খান।
পাঁচবিবি-হিলি পাকা সড়কের পাশে বাগজানা ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত এ শান্তি চত্বরটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বিবর্ণ হয়ে পড়েছিল। ধুলোবালি জমে স্থাপনাটির বিভিন্ন অংশ মলিন হয়ে যায়। রং ও বার্নিশের অভাব, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না করা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনী ব্যানার ও পোস্টারে ঢেকে যাওয়ায় এর সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়ে। পাশাপাশি চত্বরের চারপাশে মৌসুমি দোকান ও অপেক্ষমাণ ভ্যান-রিকশার কারণে স্থাপনাটি দৃষ্টির আড়ালে থাকত।
নির্মাণকাজের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ থেকে যাওয়ার পর দীর্ঘদিনেও প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় শান্তি চত্বরটি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল।
এমন পরিস্থিতিতে স্থাপনাটির হারানো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছেন মামুন খান। বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজু মাস্টারের অনুপ্রেরণা ও সার্বিক সহযোগিতায় সোমবার রাতে সহযোদ্ধাদের নিয়ে তিনি শান্তি চত্বরটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ঘষামাজা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু করেন।
দিনের বেলায় ব্যস্ত সড়কে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাতের বেলায় চলছে সংস্কারকাজ।
স্থানীয়রা জানান, বাগজানা বাসস্ট্যান্ডের শান্তি চত্বরটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি এলাকার পরিচিতি ও সৌন্দর্যের প্রতীক। দীর্ঘদিন পর এর সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা মামুন খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তাদের প্রত্যাশা, মামুন খানের এমন উদ্যোগে শান্তি চত্বরটি আবারও ফিরে পাবে তার হারানো সৌন্দর্য এবং হয়ে উঠবে পথচারী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিনন্দন আকর্ষণ।


